Kolam

Call Website Contact the hotel

Kolam Welcoming you to our hotel which is a daily tribute to harmonious co-existence Welcoming you to our hotel which is a daily tribute to harmonious co-existence.

KOLAM is sign of invitation to welcome all into this beautiful hotel (like your second home) where your arrival eagerly awaited. It is a matter of pride for us to give you a new place in Rabindranath Tagore's Shantiniketan.

The divine abode of Lord Jagannath!                            food
07/07/2024

The divine abode of Lord Jagannath!

food

History Written, Legacy Born! Team India Wins ICC T20 World Cup 2024, Etching Their Name in Cricketing Lore! Unforgettab...
29/06/2024

History Written, Legacy Born! Team India Wins ICC T20 World Cup 2024, Etching Their Name in Cricketing Lore! Unforgettable Performances, Unwavering Spirit, and a Triumphant Journey! 🏏🏆🇮🇳💙🥳

28/06/2024

Embark on a Journey of Bengal's Charm at Kolam Santiniketan | Experience Luxury in Santiniketan, Bolpur

Welcome to Kolam Santiniketan, a mesmerizing escape that seamlessly blends modern luxury with the vibrant spirit of Bengal. Join us on a visual voyage through this Bengali-themed haven nestled in the heart of Santiniketan, Bolpur.

Discover the Essence of Bengal:
Unveil the rich cultural tapestry of Santiniketan as we explore the intricately designed spaces of Kolam. From the lobby to the rooms, every detail reflects the warmth and elegance of Bengali heritage, creating an atmosphere that resonates with tradition.

Luxurious Retreats:
Step into opulent accommodations where comfort meets style. Each room at Kolam Santiniketan is a sanctuary of relaxation, enveloped in the hues and motifs that define Bengali aesthetics. Experience a blend of modern amenities and timeless charm.

Culinary Delights:
Indulge your palate in a culinary journey that celebrates the diverse flavors of Bengal. Our chefs craft delectable dishes that showcase the essence of Bengali cuisine, promising a gastronomic experience that lingers in your memory.

Tranquil Oasis:
Immerse yourself in the serenity of Kolam Santiniketan's lush surroundings. Explore landscaped gardens, unwind by the poolside, and let the tranquility of the environment become an integral part of your stay.

Visual Feast:
Join us as we showcase the captivating visuals of Kolam Santiniketan. From the architectural marvels to the cultural immersion, witness the allure that makes this retreat a unique destination in Santiniketan.

Book Your Bengal Experience:
Ready to make Kolam Santiniketan your next getaway?
Connect with us at:
7439357634 | 7449357634

Don't miss the opportunity to experience the true essence of Bengal at Kolam Santiniketan. Subscribe, like, and share our video to spread the charm of this Bengali-themed retreat. Your journey to luxury and culture starts here!

, , , , , , , ,

Happy Birthday R.D.BurmanRahul Dev Burman (27 June 1939 – 4 January 1994) was an Indian music director. From the 1960s t...
26/06/2024

Happy Birthday R.D.Burman

Rahul Dev Burman (27 June 1939 – 4 January 1994) was an Indian music director. From the 1960s to the 1990s, Burman composed musical scores for 331 films. Burman did major work with his wife, Asha Bhosle and Kishore Aa

প্রেমিকা মণিপুরের রাজকন্যা বিনোদিনী। প্রেমিক শান্তিনিকেতনের শিক্ষক রামকিঙ্কর বেজ।শ্রদ্ধেয় শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজের এক অজা...
24/06/2024

প্রেমিকা মণিপুরের রাজকন্যা বিনোদিনী। প্রেমিক শান্তিনিকেতনের শিক্ষক রামকিঙ্কর বেজ।

শ্রদ্ধেয় শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজের এক অজানা গল্প।

কাজের ক্ষতি করে আমি বন্ধনে বাঁধা পড়বো না, বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বিনোদিনীকে মণিপুরের রাজার মেয়েকে, এমনই নিষ্ঠা ছিলো তাঁর আঁকার। অনেক গল্প ভেসে বেড়াতো ভুবনডাঙার বাতাসে নদীর কিনারে তাঁদের দুজনকে নিয়ে।সদ্য যৌবনে পা রেখেছে বিনোদিনী মা বাবাকে ছেড়ে এসেছেন শান্তিনিকেতনে।

১৯৪৫ সালে বিনোদিনী শান্তিনিকেতনে আসেন। ভর্তি হন বিশ্বভারতীর কলাভবনে। ভাস্কর্য ছিল তাঁর পছন্দের বিষয়। মা সাজিয়ে গুজিয়ে মেয়েকে পাঠিয়েছিলেন গুরুগৃহে সঙ্গে দিয়েছিলেন খুব দামী বেনারসি ও মসলিন, বিনোদিনী বুঝতে পারলেন এসব অলঙ্কার শাড়ী পরলে এখানে কেউ তার সাথে মিশবেনা, তিনি বোলপুরের হাট থেকে আনিয়ে নিলেন খুব কম দামী শাড়ী ও পুঁথির মালা, মাথায় জড়াতেন বেলফুলের মালা কখনও কখনও কানে ফুলের ঝুমকো তৈরী করে পরতেন, অসামান্যা হয়ে উঠতেন এই সাধারণ সাজে, তাঁর এই সহজিয়া সাজসজ্জা টেনেছিলো মাষ্টার মশাই রামকিঙ্করকে, এড়াতে পারেননি রাজকন্যাও প্রিয় গুরুকে,এক অসম বয়সী প্রেম ভুবনডাঙার বাতাসে নিঃশব্দে মাদকতা ছড়াতে লাগলো নির্জনে।
ঝলমলে বসন্তদিন, ফাল্গুনের পড়ন্ত বেলায় লাল খোয়াইয়ের পথে পাশাপাশি হেঁটে চলেছেন দু’জন। রামকিঙ্কর বেজ ও তাঁর ছাত্রী বিনোদিনী। হাঁটতে হাঁটতে দিগন্তের আলোছায়ায় কখন যেন একটি বিন্দু হয়ে মিলিয়ে গেলেন দু’জনে,মিশে গেলেন একে অপরের সাথে সাক্ষী থাকলো নির্জন কোপাই ,সোনাঝুরি।

খোয়াইয়ের পথে-প্রান্তরে রামকিঙ্করের সঙ্গে ঘুরে বেড়াতেন তিনি। দু’জনকে দেখা যায় শালবনে, কোপাই পাড়ে, সাঁওতাল পাড়ায়। রূপবতী রাজকন্যার মনের মাধুরী মিশে যায় প্রকৃতিতে। দিনগুলো যেন রঙিন পালকের মতো ভেসে বেড়ায় খোয়াইয়ের আকাশে বাতাসে।

বিনোদিনীর উদার মন ধর্ম, বর্ণ বা অন্য কোনও রকম বিভাজনের কথা মনেই রাখেনি কখনও। তাই খুব সহজেই রামকিঙ্করের সঙ্গে নিজের মন মেলাতে পারলেন তিনি। ভুলে গেলেন তাঁর সঙ্গে রামকিঙ্করের যোজন দূরত্বের সামাজিক ব্যবধানের কথা। মনে রাখেননি নিজেদের বয়সের ব্যবধানও। ভালবাসার রাখিটি সহজেই বেঁধে দিলেন শিল্পীর প্রাণে।

রামকিঙ্করের মনের খুব কাছাকাছি গিয়ে হয়তো তিনি চেয়েছিলেন দু’জনের জীবনকেও এক করে নিতে। তাঁর এই হৃদয়াভাস রামকিঙ্করের মনকেও আলোড়িত করেছিল। আজন্ম নানা অপ্রাপ্তি নিয়ে বেডে় ওঠা রামকিঙ্করের জীবন আঁকড়ে ধরেছিল এই প্রেমকে। নিজের হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করে তিনি আশ্রয় দিয়েছিলেন বিনোদিনীকে।

কাজে-অকাজে মাঝেমধ্যেই রামকিঙ্করের কোয়ার্টারে যান বিনোদিনী। নিজের ঘরের মোড়ায় ছাত্রীকে বসিয়ে একটার পর একটা স্কেচ করেন রামকিঙ্কর। ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা ও মণিপুরী ভাষায় তুখোড়, সঙ্গীত ও নৃত্যকলায় কুশলী রাজকন্যা সুন্দরী, লাবণ্যময়ী। হালকা-পাতলা গড়ন। স্বপ্নমাখা দু’টি মায়াবী চোখ। তাঁর মুখটি রামকিঙ্করের মনে এমন ভাবে গাঁথা হয়ে গিয়েছিল যে, যখন খুশি মন থেকেই তিনি এঁকে ফেলতে পারতেন বিনোদিনীর পোর্ট্রেট।

বিনোদিনী ছিলেন রামকিঙ্করের অন্যতম মডেল। তাঁকে নিয়ে বহু কাজ করেছেন তিনি। ১৯৪৫ সালে সিমেন্টে করেন তাঁর পোর্ট্রেট। ১৯৪৮ সালে তেল আর জলরঙে করেন বেশ কিছু প্রতিকৃতি। এ ছাড়া রয়েছে নানা সময়ে করা অজস্র স্কেচ। তাঁর এই সব ছবি ও ভাস্কর্যের ‘বিনোদিনী সংগ্রহ’ দিল্লির ‘ন্যাশনাল গ্যালারি অব মডার্ন আর্ট’-এ সংরক্ষিত রয়েছে। কিছু কাজ রয়ে গিয়েছে বিশ্বভারতীর কলাভবনেও। বিনোদিনী সংগ্রহের ‘আর্টিস্ট অ্যান্ড মডেল’ বা ‘কমরেড’ এচিং-এ শিল্পী ধরে রেখেছেন নিজেদের।

রামকিঙ্কর এবং বিনোদিনী নির্জন বনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। বলিষ্ঠ চেহারার বেঁটেখাটো রামকিঙ্করের মাথায় তালপাতার টোকা, হাতে ছবি আঁকার বোর্ড, বিনোদিনীর দিকে চেয়ে আছেন। ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত বিনোদিনী চলেছেন পাশে পাশে। আনন্দে-আগ্রহে তাঁরা নিজেদের মধ্যে ডুবে আছেন। গাছপালারা তাঁদের ঘিরে আলোছায়ার মায়া জগৎ তৈরি করেছে। নারী-পুরুষের এমন অনাবিল মধুর ছবি বড় একটা দেখা যায় না। কিন্তু এই আলোছায়ার পথে জীবনের কতটুকু পরিক্রমা করলেন তাঁরা?

শেষ হয়ে আসছে রাজকন্যার কলাভবনে পাঠের সময়। ফিরে যেতে হবে নিজের রাজ্যে। কিন্তু সেখানে কি তিনি একা ফিরবেন? কিঙ্করদাকে রাজকুমারী বলেন, ‘চলুন আমার সঙ্গে, মণিপুরে থাকবেন।’ কিন্তু তাঁর শিল্পীমন যে কোনও বাঁধনে বাঁধা পড়তে চায়নি। বলেছিলেন, “আসল কথাটি হচ্ছে আমি কোন বন্ধনে বাঁধা পড়তে রাজি নই। ওতে কাজের ক্ষতি হয়। আমি নানা তালে ঘুরতে রাজি নই। আমার লক্ষ্য একটাই— সেটা আর্টওয়ার্ক।”

মণিপুরের রাজপরিবারও রাজি নয় রাজকন্যাকে এক বাউন্ডুলে প্রতিভার হাতে তুলে দিতে। বিনোদিনীকে তাই ছেড়ে যেতে হয় তাঁর প্রিয় কৃষ্ণরূপ শিক্ষককে। যে শিল্পী প্রেমের কথা বলতে গিয়ে বলেন, “জীবনে প্রেম এসেছিল। সে কথা কাউকে বলার নয়, সে কথা কাউকে বলা যাবে না।”

শিক্ষা শেষে মণিপুরে ফিরে গেলেন বিনোদিনী। যাওয়ার সময় স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে দিয়ে যেতে চেয়েছিলে নিজের ক্যামেরাটি। কিন্তু মায়া বাড়াননি শিল্পী: ‘সে যাবার সময় তার ক্যামেরাটা দিতে চাইল। আমি নিলাম না। কি হবে নিয়ে কোথায় হারিয়ে যাবে।’ বিনোদিনী চলে যাওয়ার পরে অনেকেই দেখেছেন গুরুদেবের কিছু কিছু গান গাইতে গাইতে রামকিঙ্করের দু’চোখ জলে ভেসে যেত। লুকনোর চেষ্টা করতেন না।

তাঁর জীবনে ‘প্রেম এসেছিল। সে কথা কাউকে বলার নয়।’ বলতে গেলে হয়তো তাঁর মনে আসত কবিগুরুর ‘চিত্রাঙ্গদা’ নাটকের সেই গান, ‘মণিপুর রাজকন্যা/ কান্তহৃদয়বিজয়ে হবে ধন্যা।’ হয়তো অশ্রুসজল চোখে তিনি দেখতে পেতেন অপস্রিয়মাণ বিনোদিনী দূরদেশের সন্ধ্যার অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছেন!
আনন্দ বাজার পত্রিকার সহায়তায়.......

Experience the divine as Maa Durga graces at the Kolam Santiniketan this year! Join us for a celebration like no other. ...
19/06/2024

Experience the divine as Maa Durga graces at the Kolam Santiniketan this year! Join us for a celebration like no other. 🌺🙏

আমার হাতের আঙুল ইউ টার্ন নিয়ে ফিরে যেতে চাই আমার শৈশবেযেখানে আমার হাত ধরে তুমি হাঁটতে বাবা।                             ...
16/06/2024

আমার হাতের আঙুল ইউ টার্ন নিয়ে ফিরে যেতে চাই আমার শৈশবে
যেখানে আমার হাত ধরে তুমি হাঁটতে বাবা।

 #রবীন্দ্রনাথের_জামাই_ষষ্ঠী চারবেলাই চর্ব্য চোষ্য লেহ্য পেয় এর আয়োজন- তবে তার মধ্যেও দুপুর বেলার খাবারটাই তো আসল খাওয়...
12/06/2024

#রবীন্দ্রনাথের_জামাই_ষষ্ঠী

চারবেলাই চর্ব্য চোষ্য লেহ্য পেয় এর আয়োজন- তবে তার মধ্যেও দুপুর বেলার খাবারটাই তো আসল খাওয়া, সেই খাওয়া খেতে বসেছে জামাতা বাবাজীবন। তত্ত্বাবধানে স্বয়ং শ্বশ্রুমাতা।
ভাতটা ভেঙে ডাল ঢালবার আগে শাশুড়ি মৃদু আপত্তি করে উঠলেন- আগে তেতো দিয়ে খাও।
তেতো? কোথায় তেতো? জামাই বাবাজীবন অবাক।
প্রথম বাটিটা শাশুড়ি আঙুল দেখিয়ে দিকনির্দেশ করলেন।
ওহো, আমি বুঝতে পারিনি। একটু মেখে মুগ্ধ হয়ে বললেন- উচ্ছে আছে বুঝতে পারছি, তেতো ভাবটাও আছে- কিন্তু বেশ অন্যরকম হয়েছে তো।
আর একটা তেতোও আছে। ঘি করলা।
ঘি করলা?
ওই যাকে তোমরা কলকাতার লোক কা৺করোল বলো।
তিক্ত পর্ব শেষ হলে জামাই খেলেন নারকেল দিয়ে সোনামুগের ডাল আর ভাত, সঙ্গে কয়েকপদ ভাজা। আলু ভাজা, কুমড়ো ভাজা, পটল ভাজা, বেগুন ভাজা।

এরপরে তরকারির পালা।
এটা তো মোচা মনে হচ্ছে।
হ্যাঁ, মোচাই তো? তুমি খাবে না?
কেন খাব না, আমি তো এখন নিরামিষ খেতেই ভালোবাসি।
বড় তৃপ্তির সঙ্গে জামাতা মোচা ভক্ষণ সমাপ্ত করলেন।
এইটা ?
ওটা তো লাউ দিয়ে ছানা দিয়ে একটা নতুন রকমের তরকারি।
তাই নাকি? সাগ্রহে জামাতা বাবাজীবন সামান্য ভাত দিয়ে মেখে খেয়ে মুগ্ধ হয়ে বললেন- বাহ্, এটাও ভারী সুন্দর হয়েছে, বড় তৃপ্তি পেলাম।

দীর্ঘ দেহের অধিকারী জামাতা বাবাজীবন কিন্ত পরিমাণে খুবই স্বল্পাহারী। ভাতের পরিমাণ দেখলে কোন ছোট পাখির আহার বললেই ভুল হবে,কিন্তু বেশ কয়েক রকম পদ রান্না না হলে তার মন ভরে না। আজ তার মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে অনেকদিন পরে ভারী তৃপ্তি করে খাবার খাচ্ছে!

আচ্ছা, এটা?
এটাতো চৈ দিয়ে কৈ মাছ।
মাছ ? কিন্তু- আমি তো, আমি তো এখন একদম আমিষ খাই না।
খাবে না? শাশুড়ি মায়ের মুখ কালো হয়ে গেল। আমি কত কষ্ট করে বানালাম চৈ দিয়ে কৈ মাছ, আর তুমি খাবে না? ওই জিনিসটা তো তোমাদের শহরে পাওয়া যায় না। আচ্ছা, থাক তাহলে- আমি সরিয়ে নিচ্ছি।

জামাতা একটু চুপ করে রইলেন, মাথানিচু করে কী যেন ভাবলেন তারপর বললেন- থাক। সরানোর দরকার নেই, আমি খেয়ে নিচ্ছি।
খেতে খেতে অস্ফুটে বললেন -হ্যাঁ ,এই রান্নাটা আমি আগে ওর কাছে খেয়েছি। ঠিক এমনটিই।

একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিল জামাতার ভৃত্য উমাচরণ। সে বড়ই অবাক হয়ে গেলো। মনে মনে ভাবলো- দ্যাখো দেখি বাবামশাই এর কান্ডখানা। মা ঠাকরুণ চলে যাওয়ার পরে আমরা এত সাধ্যিসাধনা করেও ওনাকে একফোঁটা আমিষ খাওয়াতে পারতাম না, আর আজকে যেই শাশুড়ি বলেছে অমনি মাছটা খেয়ে নিলেন!

সময়টা উনিশশো তিন।
অবিভক্ত বাংলাদেশ।
শাশুড়ি দাক্ষায়ণী দেবী।
জামাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

#সংগৃহীত

12/06/2024

Join Our Team at Hotel Kolam!

We are looking for a dynamic and experienced Hotel Manager to lead our team at Kolam Creations in the beautiful Shyambati, Santiniketan. If you have 3-5 years of experience, excellent communication skills, and a passion for hospitality, we want to hear from you!

📋 Requirements:
- Age: Below 40
- Proven 3-5 years experience as a Hotel Manager
- Strong organizational and time management skills
- Recruiting, training, and supervising staff
- Promoting and marketing the business
- Managing budgets and maintaining financial records
- Planning events and room bookings

📧 Send your resume to: [email protected]

📍 Location: Shyambati, Santiniketan, 731235
🌐 Visit us at: www.kolamcreations.com

  Kolam, wishing all of you happy Jamai Sasthi… #
12/06/2024


Kolam, wishing all of you happy Jamai Sasthi…
#

Address

Shyambati, Santiniketan
Bolpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kolam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Hotel

Send a message to Kolam:

Shortcuts

Share

Category